আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামীকাল



এক্সপ্রেসওয়ে

ছবি : সংগৃহীত


দেশের প্রথম প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামীকাল। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাবিরুল ইসলাম খান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রথম এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করবেন। সূত্র মতে, ঢাকার জুরাইন থেকে মাওয়া এবং শরীয়তপুরের পাচ্চর থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত এই মহাসড়ক খুলে দেয়া হবে। এটি এশীয় মহাসড়কের অংশ (করিফোর-১-এর)। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এই মহাসড়ক দিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাত্র ৪২ মিনিটে পৌঁছানো যাবে ফরিদপুরের ভাঙ্গায়। তবে মহাসড়ক ব্যবহারের জন্য টোল দিতে হবে চলাচলকারী গাড়িগুলোকে। ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা চার লেন মহাসড়ক যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার, পাঁচ্চর থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার। তাতে থাকবে ২৯টি ছোট ও মাঝারি সেতু, ৫৪টি কালভার্ট, চারটি রেলওয়ে ওভার পাস, পাঁচটি ফ্লাইওভার, ২০টি আন্ডারপাস বা পাতালপথ, দুটি ইন্টারচেঞ্জ ও দুটি টোল প্লাজা।


এক্সপ্রেসওয়ে

ছবি : সংগৃহীত[


জানা যায়, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন বা এসডাব্লিউও (পশ্চিম)। প্রকল্পে সব মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে ১১ হাজার ৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা। দেশের প্রথম এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনর পর খুলে দেয়া হলে ঢাকা থেকে মাওয়া যেতে সময় লাগবে মাত্র আধা ঘণ্টা। আধুনিক ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সমৃদ্ধ ছয় লেনের এ মহাসড়কটিতে ৪টি ফ্লাইওভার রয়েছে। এছাড়াও, এই এক্সপ্রেসওয়েতে ৪টি রেলওয়ে ওভারব্রিজ, ৪টি বড় ব্রিজ, ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হলে এ মহাসড়ক দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ পুরো দেশের নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হবে।  

এস এম ইফতেখার মাছুম   এস এম