পাহাড়ি ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ পেতে তাজিংডং রেস্টুরেন্ট, চট্টগ্রাম
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল: পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর খাবারের স্বাদ এবং রন্ধনশৈলীর অভিজ্ঞতা পেতে তাজিংডং রেস্টুরেন্ট

কিন্তু এই খাবারের স্বাদ থেকে যাতে আপনি বঞ্চিত না হন তার জন্য বাণিজ্যিক এলাকা চট্টগ্রামেই রয়েছে তাজিংডং মুন্ডি এন্ড টিক্কা হাউস (Tajing Dong Munda & Tikka House)। পলোগ্রাউন্ড বাণিজ্য মেলার মাঠের টিকিট কাউন্টার এর বিপরীতে অবস্থিত এই রেস্টুরেন্টের বিশেষত্ব হচ্ছে পাহাড়ি খাবার-দাবারের আয়োজন। হাতে একদিন সময় থাকলে রসনাবিলাসের জন্য চট্টগ্রামের এই রেস্তোরাটি হয়ে উঠতে পারে অনন্য। এছাড়া ঘোরার জন্য নগরীর বিভিন্ন জায়গা তো রয়েছেই। একই সাথে ভোজন বিলাস এবং শহরজুড়ে ছড়ানো বিভিন্ন জায়গায় হয়ে যেতে পারে মনে রাখার মত ট্যুর।
আরও পড়ুন : পাহাড়ে আহার : বিখ্যাত সব পাহাড়ি খাবার নিয়ে জানুন
বলা যাক তাজিংডং এর খাবারের আয়োজনের কথা। পাহাড়ি খাবারের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় খাবার বাঁশ কুড়ুল। বছরের সব সময় এই বাঁশ কুড়ুল পাওয়া যায় না। কেবলমাত্র বর্ষাকালে কিছুদিনের জন্য খাবারের আয়োজনে উঠে আসে এই পাহাড়ি 'বাঁশ কুড়ুল' রেসিপি। তাই বাঁশ কুড়ুল চেখে দেখতে চাইলে বর্ষাকালে প্ল্যান করা উচিত।
তাজিংডং রেস্টুরেন্টে চিকেন বাঁশ কুড়ুলের দাম পড়বে প্লেট প্রতি মাত্র ১০০ টাকা। এছাড়া এখানে পাওয়া যাবে পাহাড়ি স্বাদের ব্যাম্বো চিকেন। বাঁশের মধ্যে রান্না করা এই চিকেন বান্দরবন কিংবা রাঙামাটিতে বেশ বিখ্যাত হলেও এই রেসিপি এসব জায়গার বাইরে দেখা যেত না। এই রেস্টুরেন্টে বসে পাওয়া যেতে পারে এই ব্যাম্বো চিকেনের টেস্টও।

আরও পড়ুন : বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার : মেজবানের শহর চট্টগ্রাম
যেভাবে যাবেন :
ট্রেনে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে হলে মহানগর প্রভাতী, চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলি, সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং তূর্ণা প্রতিদিন সকাল, বিকেল এবং রাতে ছেড়ে যায়। ট্রেনে যেতে হলে ভাড়া পড়তে পারে ১৬০-১,১০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া বাসে যেতে হলে ঢাকার সায়দাবাদ বাস স্টেশন থেকে সৌদিয়া, গ্রিন লাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক এই বাসগুলো নিয়মিত বিরতিতে প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া ৮৫০-১,১০০ টাকার মধ্যে।এছাড়া এস আলম, সৌদিয়া, ইউনিক, শ্যমলী, ঈগল এবং হানিফের সাধারণ বাসগুলোতে ভাড়া পরে ৪০০-৫০০টাকা। ট্রেনে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে হলে মহানগর প্রভাতী, চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলি, সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং তূর্ণা প্রতিদিন সকাল, বিকেল এবং রাতে ছেড়ে যায়। ট্রেনে যেতে হলে ভাড়া পড়তে পারে ১৬০-১,১০০ টাকার মধ্যে। চট্টগ্রাম শহরে এসে বাস থেকে নেমে যেতে হবে ওয়াজি উল্লাহ ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের পশ্চিম পাশে। এখানকার পলোগ্রাউন্ড বাণিজ্য মেলার টিকেট কাউন্টারের বিপরীতেই দেখা মিলবে তাজিংডং রেস্টুরেন্টের।
বি:দ্র: যে কোন জায়গায় বেড়াতে গেলে সেখানকার পরিবেশ নষ্ট না করা এবং স্থানীয়দের প্রতি সদয় হওয়া আমাদের দায়িত্ব।
জোহরা মহসীন এস এম
তথ্যসূত্র: ১। https://www.bproperty.com ২। https://www.facebook.com/pg/TajingDongbd/posts
Click Here To See More