মজাদার ঘরোয়াভাবে রান্না করা মাংস নিয়ে হাজির লাভ গরু। ছবি : সংগৃহীত
করোনাকালীন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ঘরে থাকা। অনেক বিজনেস মডেলেই এখন পরিবর্তন আসছে এসেছে, আসছে সেবায় পরিবর্তন। সামনের দিনে এই ধারা অব্যহত থাকবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রেস্তোরাঁ বিজনেসও এর বাইরে নয়। রেস্তোরা ব্যবসায় প্রয়োজন হয় একটি স্পেস যেখানে রান্নার জন্য থাকে রান্নাঘর, কাস্টমারদের বসার জন্য থাকে বড় জায়গা। তাই রেস্টুরেন্ট বিজনেস পরিচালনা সামনের দিনগুলোতে কঠিন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
চলমান অবস্থায় স্বাস্থ্য সম্মতভাবে ঘরে তৈরি রান্নাগুলোর গ্রহন যোগ্যতা বাড়ছে। বন্ধুদের সাথে একসাথে খাওয়ার যে আচরন, সেটিও ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে।
এখন আসলে পরিবারের সবাই মিলে একসাথে থাকা, খাওয়া-দাওয়া করা, আনন্দ করা এই দিকে জোর দিতে হবে।
এসবের ধারাবাহিকতায়, ক্লাউড মডেলে ভার্চুয়াল কিচেন বা হোম কিচেন ক্রমে ক্রমে বেশ জনপ্রিয়তা পাবে বলে মনে করছেন অনেকেই। তাছাড়া অ্যাসেট লাইট মডেলের এই বিজনেসে ঝামেলাও খুব বেশি থাকে না। তবে, এই ধরনের কিচেনে খুব বেশি আইটেম রান্না করাটা চ্যালেঞ্জিং হয়।
লাভ-গরু, এরকম মডেলেরই একটা বিজনেস, তাদের কোনো রেস্তোরাঁ নেই। কোনো স্পেসে বসে খাওয়ার সুযোগ নেই, ঘরের কিচেনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে রান্না করা হয়। আইটেমও খুব বেশি না, শুধুমাত্র চুইঝাল দিয়ে গরু এবং খাসির গোস্ত রান্না। হয়তো সামনে আরও কিছু আইটেম যুক্ত হবে।
রান্না যজ্ঞ
রান্নার উপাদান চুঁইঝাল আসে বাগেরহাট থেকে, আর গরুর গোস্ত কেনা হয় ঢাকার মার্কেট থেকে, এরপর বাসায় গৃহ পরিচালিকা সকল প্রকার মশলা তৈরি করেন, ধোঁয়া মোছা কাটাকাটির কাজ করেন। বাজার থেকেই বড় বড় পিসে গোস্ত আনা হয়, ১২ পিসে ১ কেজি হিসাবে। এরপর শুরু হয় রান্না যজ্ঞ।
মজাদার ঘরোয়াভাবে রান্না করা মাংস নিয়ে হাজির লাভ গরু। ছবি : সংগৃহীত
শুরুতে প্রতি বুধবার রান্নার কমিটমেন্ট দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে পরিসর বাড়ায় ধীরে ধীরে নিজেদের কিচেন সেট আপ চেঞ্জ করে নিয়েছে লাভ গরু। সেই সাথে নতুন করে ইনভেন্টরি রাখা হচ্ছে, মার্কেটিং এর জন্যেও নেয়া হচ্ছে নানান ইনিশিয়েটিভ।
লাভ গরুর মতে, তাদের বিশেষত্ব হচ্ছে এর অতি সাধারন উপস্থাপনা এবং ঘরোয়া রান্না। কোনো প্রকারের অতিরঞ্জিত ছবি তুলে আকর্ষণ করার কোন অঙ্গীকার তাদের নেই। ঘরে রান্না খাবার, নিজেরা যা খাওয়া হয়, তাই বিক্রি করা হয়। নিজেদের স্টাইলে রান্না হয়, কাজেই অন্য কোথাও কারও রান্না অনুকরন বা অনুসরনেরও সুযোগ নেই। তারা নিজেরাই বাজার করে, নিজেরাই প্রক্রিয়াজাত করে রান্না করে এবং ডেলিভারিও নিজেরা করে।
প্রতি কেজি রান্না করা গরুর গোস্ত ১,২৫০ টাকা, তবে গ্রাহকদের অনুরোধে খাসির গোস্তও করে দেয়া হয় বলে তারা জানায়।
লাভ গরুর পেইজে Love Goru - লাভ গরু নক করে অর্ডার দিতে পারেন অথবা সরাসরি 01975409545 নম্বরে কল করতে পারেন।