সাগরের প্রথম মেগাশিপ নামে খ্যাত সভারিন ক্রুজের সমাপ্তি কি এ বছরেই?
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল: সভারিন অফ দ্য সি রয়্যাল ক্যারিবিয়ানের হয়ে ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরু করে

১৭১টি স্লট মেশিনের সমন্বয়ে ক্যাসিনো রয়েছে প্রাপ্ত-বয়স্কদের জন্য। অসংখ্য মিনি বার রয়েছে।
আইকনিক ভাইকিং ক্রাউন এর আদলেও মিনিবার রয়েছে এই মেগা ক্রুজশিপে। একদম উপরের ডেকটি ফ্লাইং সসার আদলে বানানো হয়েছে। এর নির্মাণশৈলী বেশ রেভুলেশনারি ছিল সেই সময়কাল অনুযায়ী। সেন্ট্রাল পুল ডেক এবং সাথে আরও দুটি পুল এর নির্মাণের সময়ে বেশ আইকনিক ছিল।
সর্বসাকুল্যে এই ক্রুজশিপের ওজন ৭৩,০০০ হাজার টন। বিগত তিন দশকে এর বিভিন্ন সংস্কারে এর আকার এবং আকৃতিতে বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যদিও জাহাজটি পুলমান্তুর ব্যানারে চলছে কিন্তু রয়েল ক্যারিবিয়ান এখনো জাহাজটির ৪৯ শতাংশ মালিকানা ধরে রেখেছে।

পুলমান্তুর তাদের বিবৃতিতে জানায় কোভিড পরিস্থিতির জন্য তারা ক্ষতি কখনোই পুষিয়ে উঠতে পারবে না। এই ক্রুজ শিপটি সর্বশেষ ২,২৮২ জন যাত্রী নিয়ে মাল্টা থেকে আলিয়াগাতে যাত্রা করেছে। মনে করা হচ্ছে এটিই ছিল এর সর্বশেষ ক্রুজ যাত্রা। রয়্যাল ক্যারিবিয়ানের আরেকটি জাহাজ মোনার্ক অফ দ্য সী নামে খ্যাত জাহাজটিও তুর্কির আলিয়াগাতে পৌঁছেছে স্ক্র্যাপিং এর জন্য। সভারিন অফ দ্য সীও তার সিস্টার ভেসেল মোনার্ক অফ দ্য সী কে অনুসরণ করছে। বিভিন্ন বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যমে এই দুটি জাহাজের সম্ভাব্য স্ক্র্যাপিং কিংবা বিক্রির কথা বলা হচ্ছে।
এছাড়াও আরও কিছু জাহাজের স্ক্র্যাপিং এর কথাও বলা হচ্ছে কিন্তু ঐতিহ্যের দিক থেকে এই সভারিন অফ দ্য সি ই সেরা। এর সম্ভাব্য স্ক্র্যাপিং বিভিন্ন মাধ্যমে বেশ ভালোভাবেই আলোচিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতি আমাদের থেকে অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে, তার মাঝে নতুনভাবে মেগাশীপ নামে খ্যাত এই জাহাজটিও হয়তো যুক্ত হতে যাচ্ছে।
মোঃ খালিদ বিন জামান এস এম
Click Here To See More