উদ্ভোধন হলো বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বই মেলা
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : একুশে বই মেলা
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে বাঙ্গালি সারাবছর যে প্রাণের সম্মিলনের অপেক্ষায় থাকে, অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার মধ্য দিয়ে পর্দা উঠল বাঙালির সেই অন্যতম প্রাণের মেলা অমর একুশে বই মেলার। আজ শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমি চত্বরে বাঙালির প্রাণের এ মেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সাথে তিনি এই বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ নবপর্যায়' শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রায় মাসব্যাপী চলা এই প্রাণের মেলায় থাকছে এবার ৪০৯টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৬৬৩টি ইউনিট। ৫ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে আয়োজন করা এই মেলা উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১২টি চত্বরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৩৬টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৮৩টি ইউনিটসহ মোট ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭১৯টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ হাজার ৫৩৬ বর্গফুট আয়তনের ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
একুশে বই মেলা
এই অমর একুশে গ্রন্থমেলা আগামী ২৯শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে । ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। আর ছুটির দিনে মেলা খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। শুধুমাত্র ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এ গ্রন্থমেলা।গ্রন্থমেলায় টিএসসি, দোয়েল চত্বর দিয়ে দু’টো মূল প্রবেশপথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাইরের ৬টি পথ থাকবে। পাশাপাশি এবারই প্রথম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন নতুন সুপ্রশস্ত গেট নির্মাণ করা হয়েছে। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমির ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশে থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা।
এস এম ইফতেখার মাছুম এস এম
আরো পড়ুন ঃ জয়পুরহাটের ঐতিহ্যবাহী লকমা রাজবাড়ি
