জামালখানের নান্দনিক রেস্তোরাঁ বীর চট্টলা, চট্টগ্রাম
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে বীর চট্টলা রেস্তোরাঁয়

আরও পড়ুন : বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার : মেজবানের শহর চট্টগ্রাম
কাঠ পাথরের এই শহুরে আবহাওয়ায় এক টুকরো ঐতিহ্য হয়ে জানান দিচ্ছে এই রেস্তোরা। ঐতিহ্যবাহী মেজবানিসহ প্রায় সকল স্থানীয় খাবারের দেখা মিলবে এই বীর চট্টলা’য়। বাহারি খাবারের পাশাপাশি এখানকার মনোমুগ্ধকর ডেকোরেশন পূর্ণতা দেবে যে কোন আহারে। নস্টালজিক নব্বই দশকের ধাঁচে সাজানো রেস্টুরেন্টে প্রবেশমাত্র যে কোন কেউ ফিরে যেতে পারেন হারানো শৈশবের স্মৃতি কিংবা বিস্মৃতিতে। আমাদের বেড়ে ওঠার সাথে হারিয়ে যাওয়া ক্যাসেট প্লেয়ার, ফিতা, পুরানো আয়নার ফ্রেম ইত্যাদির মিশেলে আপনিও কিছুটা সময়ের জন্য চলে যেতে পারেন অতীতে। এককথায় স্মৃতিতে হাতড়ে বেড়িয়ে নস্টালজিক হবার সব উপকরণই এখানে পাওয়া যাবে। এই অন্য ধাঁচের সাজসজ্জার জন্য খুব অল্প সময়েই বীর চট্টলা’ নজর কেড়েছিল স্থানীয় এবং বাইরের মানুষদের। শুধু ডেকোরেশনের ভিন্নতায় নয় এখানকার খাবারের স্বাদ কিংবা মেন্যুতেও তৃপ্ত হবেন যে কোন কেউ। বলা হয়ে থাকে চট্টগ্রামের মানুষের ভোজনের প্রতি রয়েছে আলাদা ঐতিহ্য। সেটা বাংলাদেশের আরও কোথাও নেই।

আরও পড়ুন : চট্টগ্রামের সেরা খাবার
যেভাবে যাবেন ট্রেনে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে হলে মহানগর প্রভাতী, চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলি, সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং তূর্ণা প্রতিদিন সকাল, বিকেল এবং রাতে ছেড়ে যায়। ট্রেনে যেতে হলে ভাড়া পড়তে পারে ১৬০-১১০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া বাসে যেতে হলে ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে সৌদিয়া, গ্রিন লাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক এই বাসগুলো নিয়মিত বিরতিতে প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া ৮৫০-১১০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া, এস আলম, সৌদিয়া, ইউনিক, শ্যামলী, ঈগল এবং হানিফের সাধারণ বাসগুলোতে ভাড়া পরে ৪০০-৫০০টাকা। চট্টগ্রাম শহরে এসে ২ নম্বর গেট বা জিইসি নেমে ট্যাক্সি কিংবা রিক্সা নিয়ে জামালখান মোড়ে গেলেই দেখা মিলবে বীর চট্টলা’র।
বি:দ্র: যে কোন জায়গায় বেড়াতে গেলে সেখানকার পরিবেশ নষ্ট না করা এবং স্থানীয়দের প্রতি সদয় হওয়া আমাদের দায়িত্ব।
জোহরা মহসীন এস এম
তথ্যসূত্র: ১। https://www.bproperty.com ২। https://myctgbangla.wordpress.com