মিশরের ঐতিহাসিক খুফু পিরামিড ভ্রমণ
ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : খুফু পিরামিড
আইফেল টাওয়ারের আগে এটাই ছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ মানবসৃষ্ট স্থাপত্য

ইতিহাস
পিরামিড ত্রিভুজাকার জ্যামিতিক আকৃতি যা বহুভুজাকার ভুমির ওপর দাড়িয়ে আছে। পুরো মিশরে প্রায় ১৩৮টি পিরামিড রয়েছে। তবে, সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন পিরামিড হচ্ছে গীজার খুফুর পিরামিড। এটি প্রাচীন সপ্তাশ্চার্যেরও একটি। খ্রিস্টপূর্ব ২ হাজার ৫৬০ সালে ফারাও রাজা খুফু এই পিরামিড নির্মান করেন। তার নামানুসারেই একে খুফুর পিরামিড বলা হয়।

খুফুর পিরামিডে কি কি আছে
খুফুর পিরামিডের অভ্যন্তরে তিনটি কক্ষ রয়েছে। দুটি রাজা ও রানির সমাধি কক্ষ এবং অন্যটি ধারণা করা হয়ে থাকে যে, পরজগতে প্রজারা ফেরাউনের সাথে দেখা করতে এলে এখানে বসবে। এই কক্ষ গুলোতে প্রবেশের জন্য বেশ কিছু গোলক ধাধার মাঝে দিয়ে যেতে হতো। সমাধিগুলোতে নানা ধরনের প্রতীক, ছবি, নতুন জীবনের সব উপাদান দেয়া থাকত। রুমগুলোর একদম কেন্দ্রে ছিলো স্বর্ণমন্ডিত ফারাও রাজার শবাদার। এই বৃহৎ পিরামিডের সামনে স্ফিংস নামক এক মূর্তি আছে। এর মাথা মানুষের এবং দেহ সিংহের। এটির উচ্চতা প্রায় ৬৬ ফুট।
মজার কিছু তথ্য
এই পিরামিড নিয়ে বেশ কিছু মজার ব্যাপার রয়েছে। তার মাঝে একটি হচ্ছে, ১৮৮৯ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় চার হাজার চারশত বছর এটিই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে উচু স্থাপনা। আইফেল টাওয়ার নির্মানের পর পিরামিড তার গৌরব হারায়। পূর্বে খুফুর পিরমিডের শীর্ষে যাওয়ার অনুমতি থাকেলেও এখন আর সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ পর্যটক এবং পিরামিড উভয়ের জন্যই এটি বিপদজনক। খুফুর পিরামিডের সাথেই অন্য দুটো পিরামিড হচ্ছে খাফরে এবং মেনকৌরের পিরামিড। কিন্ত উচ্চতা এবং বিশালত্ত্বের দিক দিয়ে খুফুর পিরামিড সেরা।
খালিদ বিন জামান এস এম